খোশগপ্পো-২
আরে! ক্ষেতুদা! আসুন! আসুন! কি খবর আপনার? চন্দন বলল।
-আর বলো না হে! আমার এই দুদিন ধরে, সন্ধেবেলায় সেরিব্র্যাল আ্যটাক হচ্ছে!
- সেরিব্র্যাল আ্যটাক? আপনার? তাও দুদিন ধরে? আর আপনি হেঁটে চলে বেড়াচ্ছেন!
- দেখ, চন্দন! ইয়ার্কি মেরো না! বলি- মাথাটা ধরছে সন্ধে বেলা করে।
-মাথা ধরা আর সেরিব্র্যাল আ্যটাক এক হলো? আপনি দেখচি আমার ডাক্তারী ভুলিয়ে ছাড়বেন!!!!!!
-রাখো তোমার ডাক্তারী! আমার বাবার বন্ধু ছিলেন হরেন ডাক্তার। ডঃ হরেন মুখোটি! সন্ধে বেলায় আফিং খেতেন। আমার বড় ছেলে হওয়ার খবর ওনাকে দিতে গেছিলাম। এই ধরো রাত ৮ টার সময়! শুনে, হরেনকাকা বললেন- কবে ছেলে হলো?
বললাম-আজ সন্ধে ৬ টার সময়! শুনে কি বললেন জানো?
- কি?
বললেন- সর্বনাশ! এর মধ্যেই তুই হেঁটে চলে বেড়াচ্ছিস?
জয় মা তারারারারা! ব্রহ্মময়ী মা! বলে ঢুকলেন, তারক মোত্তির। শেষের কথা গুলো কানে গিয়েছিল।
- যা বলেছেন, ক্ষেতুদা! আমি হয়েছিলাম হাসপাতালে! সে সময়ে হাসপাতালের খুব একটা রেওয়াজ ছিল না। লোকে হাসপাতালকে ভয়ই পেতো! তা আমাকে বাবা বলল- শোন!তোর একটা কুষ্ঠি করাতে হবে। তোর জীবনে কিছু হবে কিনা একটু জেনে আয়!
তো গেলুম, আমাদের বিরিঞ্চি ঠাকুরের কাছে! জিজ্ঞেস করলেন- কোথায় হয়েছিস! বললাম- হাসপাতালে!
বিরিঞ্চি ঠাকুর বড় একটা হাঁ করে অবাক হয়ে বললেন- সর্বনাশ!!!!! কি হয়েছিল তোর???????
চন্দন বলল- যাঃ! এ হয় নাকি!!!!! যত্ত সব খন্ড ত ব্যাপার!
ক্ষেতুদা ক্ষেপে গেলেন।
শোনো হে! অনেক কিছু হয়! শুধু “Zআনতি পারো না”! আমাকে একবার এক চোখের ডাক্তার বলেছিল-ক্ষেতুদা, আপনার চোখে হার্ট আ্যাটাক হয়েছে!
- ক্কি!!!!!!
-মানে, চোখের মণি তো চোখের হার্ট!!!! সেখানে ছানি পড়েছে! তাই আপনার চোখে হার্ট আ্যাটাক !
এপ্পর শুনবো থাইয়ের ওপর থাইসিস হয়েছে!- চন্দন বলল।
হতেই পারে, চন্দন! ক্ষেতুদার জবাব! আজকাল চিকিৎসা শাস্ত্র যে বেগে এগুচ্ছে!!!!!!!! এক্কেরে মনে হয়- লোকাল ট্রেনের ইএমইউ কোচে প্রচণ্ড তলপেটের চাপ!
দুটো বাচ্চা ছেলে ঢুকলো চেম্বারে!
-ও দাদু!!!!! চাঁদা দেও না!
-দোবো! তারক মোত্তির বললেন। তার আগে ইংরেজী ট্র্যানশ্লেশন কর!
- উফ! কি জ্বালা! আচ্ছা বলুন। এক চান্সে বলে দেবো।
- বল! একটা পচা কলা, গোটা কাঁদিকে পচিয়ে দ্যায়!
- ওও ও! এটা! খুব সোজা!
-বল দেখি!
- One পচা কলা পচেস দি Whole কাঁদি।
ধূপ করে একটা আওয়াজ ! সবাই ঘুরে দেখে- ক্ষেতুদা দাঁত কপাটি লেগে মৃগীরোগীর মত কাঁপছেন।
চন্দন ছেলে দুটোকে ১০ টাকা দিয়ে বিদেয় করল।
-কি হলো ক্ষেতু দা! কাঁপছেন কেন?
- না! অনেকদিন আগেকার একটা কথা মনের পড়ল তো! তাই কাঁপছি!
-কি?
- ছোট ভাই যখন আ্যমেরিকা থেকে এক, ও দেশী বন্ধু কে নিয়ে এদেশে এলো, সেই বন্ধুটাকে জলযোগের দই খাইয়েছিলাম। সেই ভ্রাতৃবন্ধুটি দই খেয়ে তারিফ করে বলল-What is Doi? (নাকি সুরে) এদিক ওদিক তাকিয়ে ছোটভাই নেই দেখে বলেছিলাম – Sleeping milk in the night, morning tight. ও কি বুঝল কে জানে!!!! গম্ভীর হয়ে গেল।
বল হরি চা নিয়ে এসে বলল- দুধ শেষ! আজ আর চা হবে না!
ঠিক আছে! আমারও একটা বিয়ের নেমন্তন্ন আছে! আজ যাই! চন্দন বলল!
সেদিনের মত আড্ডাও শেষ!
হতেই পারে, চন্দন! ক্ষেতুদার জবাব! আজকাল চিকিৎসা শাস্ত্র যে বেগে এগুচ্ছে!!!!!!!! এক্কেরে মনে হয়- লোকাল ট্রেনের ইএমইউ কোচে প্রচণ্ড তলপেটের চাপ!
দুটো বাচ্চা ছেলে ঢুকলো চেম্বারে!
-ও দাদু!!!!! চাঁদা দেও না!
-দোবো! তারক মোত্তির বললেন। তার আগে ইংরেজী ট্র্যানশ্লেশন কর!
- উফ! কি জ্বালা! আচ্ছা বলুন। এক চান্সে বলে দেবো।
- বল! একটা পচা কলা, গোটা কাঁদিকে পচিয়ে দ্যায়!
- ওও ও! এটা! খুব সোজা!
-বল দেখি!
- One পচা কলা পচেস দি Whole কাঁদি।
ধূপ করে একটা আওয়াজ ! সবাই ঘুরে দেখে- ক্ষেতুদা দাঁত কপাটি লেগে মৃগীরোগীর মত কাঁপছেন।
চন্দন ছেলে দুটোকে ১০ টাকা দিয়ে বিদেয় করল।
-কি হলো ক্ষেতু দা! কাঁপছেন কেন?
- না! অনেকদিন আগেকার একটা কথা মনের পড়ল তো! তাই কাঁপছি!
-কি?
- ছোট ভাই যখন আ্যমেরিকা থেকে এক, ও দেশী বন্ধু কে নিয়ে এদেশে এলো, সেই বন্ধুটাকে জলযোগের দই খাইয়েছিলাম। সেই ভ্রাতৃবন্ধুটি দই খেয়ে তারিফ করে বলল-What is Doi? (নাকি সুরে) এদিক ওদিক তাকিয়ে ছোটভাই নেই দেখে বলেছিলাম – Sleeping milk in the night, morning tight. ও কি বুঝল কে জানে!!!! গম্ভীর হয়ে গেল।
বল হরি চা নিয়ে এসে বলল- দুধ শেষ! আজ আর চা হবে না!
ঠিক আছে! আমারও একটা বিয়ের নেমন্তন্ন আছে! আজ যাই! চন্দন বলল!
সেদিনের মত আড্ডাও শেষ!

No comments:
Post a Comment